[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|

    দক্ষ কর্মী ভিসা ফি ৮৫,০০০ ডলার বাড়ালেন ট্রাম্প

    Reporter Name
    • Update Time : Saturday, September 20, 2025,
    • 53 Time View

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নতুন এক নির্বাহী আদেশে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য জনপ্রিয় এইচ-১বি ভিসা প্রোগ্রামের আবেদন ফি বেড়ে দাঁড়ালো এক লাখ ডলার। এ অর্থ জমা না দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার সীমিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    আদেশে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা কর্মসূচির অপব্যবহার হচ্ছে এবং তা মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলছে। তবে ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা বলছেন, এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বসেরা মেধাবীদের আকর্ষণে সহায়তা করছে।

    একইসঙ্গে ট্রাম্প নতুন ‘গোল্ড কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করেছেন, যেখানে নির্দিষ্ট অভিবাসীরা ১০ লাখ পাউন্ড থেকে শুরু হওয়া ফির বিনিময়ে দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

    শুক্রবার ওভাল অফিসে ট্রাম্পের পাশে থেকে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, ‘এইচ-১বি ভিসার জন্য বছরে এক লাখ ডলার দিতে হবে। বড় বড় কোম্পানি এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। এখন আমাদের উচিত নিজেদের তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।’

     

    ২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৮৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত এ ভিসার প্রশাসনিক ফি ছিল গড়ে দেড় হাজার ডলার।

    ইউএসসিআইএস-এর তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন অর্থবছরে এইচ-১বি ভিসার আবেদন সংখ্যা নেমে এসেছে ৩ লাখ ৫৯ হাজারে, যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর সবচেয়ে বেশি ভিসা পেয়েছে অ্যামাজন, এর পরের অবস্থানে টাটা, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপল ও গুগল।

    আইনজীবী তাহমিনা ওয়াটসন মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্টার্টআপগুলোর জন্য ‘কফিনের শেষ পেরেক’ হয়ে উঠবে। তার মতে, ১ লাখ ডলার প্রবেশ ফি বিধ্বংসী প্রভাব ফেলবে, কারণ ছোট-মাঝারি কোম্পানিগুলো এই ব্যয় বহন করতে পারবে না।

    ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ জর্জ লোপেজও সতর্ক করেছেন, বাড়তি ফি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতসহ সব শিল্পে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আঘাত হানবে এবং অনেক কোম্পানি কার্যক্রম বিদেশে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা করতে পারে।

    ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও এইচ-১বি প্রোগ্রামে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার একসময় ২৪ শতাংশে পৌঁছায়। তখন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিল।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন বিধিনিষেধ বিশেষ করে ভারতীয় আবেদনকারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি করবে, কারণ এই ভিসার সবচেয়ে বড় অংশীদার ভারতীয়রাই।

    Please Share This Post in Your Social Media

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    More News Of This Category
    © All rights reserved © 2019 bdnews theme