[english_date]| [bangla_date]| [bangla_season]| [bangla_day]| [bangla_time]|

    নীলফামারী-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ বন্ধ, ছয় মাস ধরে দুর্ভোগ

    Reporter Name
    • Update Time : Monday, August 11, 2025,
    • 37 Time View

    নীলফামারী-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কিশোরগঞ্জ উপজেলার পারের হাট থেকে মাগুড়া ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত চার কিলোমিটার রাস্তা খুঁড়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ছয় মাস ধরে কাজ বন্ধ, রাস্তার বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ধুলা-বালি আর কাদায় জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারদের গাফিলতি এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে।

    উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মহাসড়কের চার কিলোমিটার অংশ পুন:নির্মাণের জন্য তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি দুই ভাগে বিভক্ত করে দুইটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান: আবদুল্লাহ অ্যান্ড আয়মান কনস্ট্রাকশন এবং এন আর এম এন্টারপ্রাইজকে দুই কিলোমিটার করে কাজ দেয়া হয়।

    তাদের ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে কাজ শুরু করে ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কাজের বেড মজবুতিকরণ পর্যন্ত শেষ হয়নি।

    গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অটো, সিএনজি, ট্রাক, বাস, অ্যাম্বুলেন্সসহ হাজারো যানবাহন চলাচল করে। সড়কটি কিশোরগঞ্জ উপজেলার মানুষের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ।

    স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, এই সড়ক দিয়ে আমরা সহজেই রংপুর, নীলফামারীসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতাম। এখন রাস্তার বেহাল দশায় চরম কষ্টে পড়েছি।

    অটোচালক একরামুল হক জানান, আগে প্রতিদিন ৮০-৯০টি অটো চলাচল করত, এখন সড়কের ভগ্নদশার কারণে আমাদের অন্য রুটে ঘুরে যেতে হচ্ছে।

    বাস চালক সোলায়মান মিয়া বলেন, আগে এই রুটে ৮টি বাস চলত, এখন চলে মাত্র ৩টি। যাত্রী সংকটও তৈরি হয়েছে।

    মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু মিয়া বলেন, বৃষ্টি হলে কাদা আর রোদে ধুলোয় মানুষ অতিষ্ট। কয়েকবার অনুরোধ করলেও দ্রুত সংস্কারের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

    উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান বলেন, নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ শেষ হয়নি। এজন্য দুই ঠিকাদারকে লিখিত তাগাদা পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আবদুল্লাহ অ্যান্ড আয়মান কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি মোকছেদুল ইসলাম বলেন, পাথর আনা হয়েছে, এক মাসের মধ্যে কাজ শেষ করবো।

    অপর ঠিকাদার এন আর এম এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি মসগুল ইসলাম বলেন, নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার কারণে কাজ বিলম্বিত হয়েছে।

    Please Share This Post in Your Social Media

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    More News Of This Category
    © All rights reserved © 2019 bdnews theme