তিন দিন আগে দিয়াবাড়ি উত্তরা বি আর টি এ অফিসে গেলাম গাড়ির ফিটনেস সনদের এপোইনট্মেন্ট নিতে। নির্ধারিত অফিসার অনেক চেস্টা করে কম্পিউটার আমার গাড়ির তথ্য লগ করতে পারল না। লজ্জিত হয়ে বলল সার এত চাপ সার্ভার নিতে পারছে না। স্যার দয়া করে পাশের বিলডিং এ পাঁচ তলায় এ ডি সার আছেন উনার কাছে গেলে উনি একটা ব্যবস্থা করে দিবেন ।
পাঁচতলা সিঁড়ি মাড়িয়ে ঢুকলাম এ ডি বশিরের অফিসে। সেবা প্রার্থিরা সকল চেয়ারে বসে আছে হাতে ডকুমেন্ট ধরে রুম ভর্তি নারী পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে। অপেক্ষামান সকলে তার দিকে তাক করে দেখছে কখন কার নাম ধরে বলবেন এই নেন আপনার ডকুমেন্ট পাশের রুমে অপারেটর আছে তাকে দিলে সব করে দিবে । আমি তার আকর্সনিয় বাক্তিত আর সেবা প্রদানের তড়িৎ গতি দেখে বেশ গর্বিত বোধ করছিলাম এই ভেবে যে এমন সেবক অফিসার এখনও আমার দেশে আছে । নাজাহেল করার ভাব, আইনি পাচ আন্ডার টেবিলে কিছু খয়রাত নেওয়া মানুষ তিনি না । তার মুখে কাজে দিব্যি ফুটে উঠে একজন আদর্শ দুর্নীতি বিমুখ অফিসার ।
আমাকে একটা চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিলেন। কফি পানি খাওয়ালেন আমি বললাম অনেক কষ্ট হয়েছে পাচতলা উঠতে পানি খাব সিওর সার। একের পর একজনকে ডেকে অন্যজনকে বলছে আপনার কি, কাগজ দেন সাথে সাথে এক নজর কাগজে এক নজর কম্পিউটার দেখে স্বাক্ষর করে বলছেন হয়েছে। গাড়ী অনেক ইন্সপেকটর কম অন্য ডিউটি থেকে ডেকে এনে মানুসের ভুগান্তি লাঘব করছেন।
মুখে চোখে বিনয় সেবা দেওয়ার আগ্রহ ফুটে উঠছে অফিসার টাইপ হম্বি তম্বী নাই । খুব শিতল মাথায় কাজ করছেন কোন তাড়া হুড়া করছেন না কাজ চলছে সুপারসনিক গতিতে। সকল অফিসে এমন মানব প্রেমি অফিসার আবস্থান করে নিয়ে মানব সেবায় ব্রত হবে সেই কামনা করি।